Wednesday , January 17 2018
Home / Genitals / পুরুষের লিঙ্গ কত বছর বয়স পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়

পুরুষের লিঙ্গ কত বছর বয়স পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়

সাধারনত কত বছর বয়স পর্যন্ত লিঙ্গ  বড় হয়? লিঙ্গের স্বাভাবিক সাইজ কত ? লিঙ্গ দৃঢ় অবস্থায় নরম থাকা কি কোন রোগ? এমন অনেক প্রশ্ন জাগে সকলের মনে। তো আসুন জেনে নেওয়া যাক পুরুষের লিঙ্গ কত বছর বয়স পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়।

সমাধানঃ লিঙ্গ বড় হওয়ার ক্ষেত্রে দেশ ভেদে ভিন্ন হয়। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে মেক্সিমাম ১৮ বছর লিঙ্গ পর্যন্ত বড় হয়। লিঙ্গ নরম থাকা এটা কোন রোগ নয়, তবে দুঃচ্চিন্তার কারনে এটা হতে পারে। সব সময় নিজেকে চিন্তা মুক্ত রাখবেন। আর আপনার লিঙ্গ  এর আকার নিয়ে কোন চিন্তা করবেন না। যৌন মিলনের ক্ষেত্রে
এর আকার কোন সমস্যা না

 লিঙ্গ
পুরুষের লিঙ্গ কত বছর বয়স পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়

পুরুষের লিঙ্গ কত বছর বয়স পর্যন্ত বৃদ্ধি পায় জেনে নিন

পরিতৃপ্তিঃ
যৌন মনন্তত্ত্ব বড়ই বিচিত্র। কিছু কিছু পুরুষ গভীর ভাবে বিশ্বাস করে যে তারা পৃথিবীর যেকোন নারীকে সহবাসে পরিতৃপ্ত করতে সক্ষম, কিন্তু এর বিপরীত
চিত্রও আছে, যেখানে দেখা যায় অনেক পুরুষেই এই ভয়ে ভীত যে নারিকে দৈহিক পরিতৃপ্তি দেবার ক্ষমতা তার নেই। দু’দলেরই বিশ্বাস যে, নারীকে সহবাসে
পরিতৃপ্তি দানের ক্ষমতা পুরোপরি পুরুষের লিঙ্গের উপর নির্ভর করে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, সফল সহবাস এবং এই বদ্ধমূল বিশ্বাস কি পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত?

পুরুষাঙ্গের মাথায় কি লাগালে নারীকে চরম তৃপ্তি দেওয়া যায়

যতবার নারীর সঙ্গে সহবাসে লিপ্ত হবে ততবার পুরুষ একইরকম পরিতৃপ্তি নিজে অনিভব করবে এবং নারীকেও সেই পরিতৃপ্তি দিতে পারবে এমন ধারণা
নিতান্তই ভ্রান্ত ও অমূলক, আবার নিজেদের যৌন সক্ষমতা সম্পর্কে পুরুষের অহেতুক দুশ্চিন্তাও তাদের পক্ষে খুবই ক্ষতিকর, এবং তা পুরুষ ও নারীর মিলনে বাঁধা সৃষ্টি করতে পারে। এইসব ভীতির অধিকাংশেরই মূলে যে কারণ বর্তমান তা হল অজ্ঞতা। এই অজ্ঞতা নারী ও পুরুষ দুজনেরই মানসিকতার প্রভূত ক্ষতিসাধন করতে পারে এবং চরমানন্দ অর্জনের ফলেও তা বিশাল প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়াতে পারে।

প্রায় প্রত্যেক পুরুষই তার জীবনের কোনও না কোনও এক সময়ে নিজের লিঙ্গের আকার নিয়ে চিন্তা করতে দেখা যায়। ছোট ছোট ছেলেদের অনেককেই দেখা যায় তাদের কার লিঙ্গ আকারে কত বড় তাই নিয়ে নিজেদের মধ্যে গভীর ভাবে আলোচনা করতে। তেমনই যেসব পুরুষের লিঙ্গ আকারে অপেক্ষাকৃত ছোট তাদের অনেকেই অহেতুক এই দুশ্চিন্তায় ভোগেন যে হয়ত বিবাহিত জীবনে তিনি তার জীবনসঙ্গিনীকে যৌন পরিতৃপ্তি দিতে পারবেন না আর তার লিঙ্গের ক্ষুদ্রাকৃতিই এই অক্ষমতার জন্য দায়ী। ক্রমাগত্মনের কোণে এই অহেতুক ভ্রান্তি পুষতে পুষতে এক সময় সেই পুরুষ যদি কোনও মানসিক ব্যাধিতে আক্রান্ত হন তবে তা আশ্চর্যের কিছুই হবে না।

যে পুরুষ এই ধরণের ভ্রান্ত ধারনা মনে পোষণ করেন অথবা যে নারীর মনে এই ধারনা জম্ম নিয়েছে যে, তার পুরুষ সঙ্গীর লিঙ্গের আকৃতি ক্ষুদ্র তাই তিনি তাঁকে যথেষ্ট যৌন পরিতৃপ্তি সহবাস কালে দিতে পারেন না, তারা দুজনেই স্বেচ্ছায় এক বিপর্যয়ের পথে এগিয়ে চলেছেন যা তাদের যেকোন ক্ষতি ডেকে আনতে পারে। স্ত্রী পুরুষ, শ্রেণী, অর্থনৈতিক মাপকাঠি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্বিশেষে এ এক নিদারুণ সত্য।

পুরুষাঙ্গ বড় করুন ৩টি প্রাকৃতিক উপায়

এখানে অনিবার্যভাবে চিকিৎসকদের প্রসঙ্গ এসে পড়ছে—আপামর জনসাধারণের কাছে যৌনজ্ঞানকে সবরকমের সংস্কারমুক্ত অবস্থায় পৌঁছে দেওয়া যাদের অন্যতম নৈতিক ও পেশাগত দায়িত্ব। ১৯৫০-এর দশকে আমেরিকার এক বিখ্যাত মেডিক্যাল কলেজের মনসমীক্ষণ বিভাগের কয়েকজন বিশেষজ্ঞ সমীক্ষা চালিয়ে এই সিদ্ধান্তে এসেছিলেন যে, শুধু সাধারণ মানুষই নয়, বহু অভিজ্ঞ চিকিৎসকও এই বিশ্বাসে বিশ্বাসী যে, সহবাসের সময় নারীকে পুরুষের পরিতৃপ্তি দানের প্রশ্নটি পুরুষের লিঙ্গ এর আকৃতির ওপর নির্ভরশীল।

ইতিহাসের দিকে একবার পেছন ফিরে তাকালে দেখা যাবে লিঙ্গ এর আকার সম্পর্কে পুরুষের দুশ্চিন্তা যুগ যুগ ধরে মনুষ্য সমাজে প্রবহমান। প্রাক-কল্মবো
মেক্সিকোর কিছু কিছু অঞ্চলে খননকার্য চালিয়ে প্রত্মতাত্ত্বিকের এমন অনেক মাটি ও পাথরের তৈরি লোকলিল্পের নিদর্শন পেয়েছেন যাদের গঠন দেখে বোঝা

সহবাস এর সময় পুরুষরা আত্মবিশ্বাস বাড়াবেন যে ভাবে

যায় যে আসিসযুগেও সহবাসকালে নারীকে পূর্ণ পরিতৃপ্তি দানের চিন্তা পুরুষের মনকে আচ্ছন্ন করে রাখত। মাটির তৈরি এরকম অসংখ্য নিদর্শন সেখানে পাওয়া গেছে গেছে যেগুলো বর্ধিত আকারের পুরুষের লিঙ্গ এর প্রতিরূপ। রেনেশাঁসের যুগে সমাজের ওপরতলায় কিছু শৌখীন মানুষ এক ধরনের কৃত্রিম আবরণ দিয়ে তাদের লিঙ্গ ঢেকে রাখত এবং এর।

আর জানতে ক্লিক করুন এ্রখানে……………..

ক্লিক

loading...

About admin

Check Also

পুরুষাঙ্গ

পুরুষাঙ্গ বড় করুন ৩টি প্রাকৃতিক উপায়

পুরুষাঙ্গ বড় করুন ৩টি প্রাকৃতিক উপায়।প্রাকৃতিক উপায়েও বড় করা যায় পুরুষাঙ্গ ।হয়ত অনেকেই জানেন না ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *