Monday , July 16 2018
Home / Other / রোজা বা সাওম ভঙ্গ হয় যেসব কারণে

রোজা বা সাওম ভঙ্গ হয় যেসব কারণে

সাওম বা রোজা যার অর্থ বিরত থাকা। পবিত্র রমজান মাসে আমরা সঠিকভাবে রোজা পালন করতে চাই কিন্তু আমরা অনেকেই জানি না রোজা পালনের সঠিক নিয়ম বা কি কি কারণে রোজা ভেঙে যায়। জেনে নেই কি করলে বা কোন কোন কাজে রোজা ভঙ্গ হয়ে যায়-

উলঙ্গ হয়ে বাথরুম এ গোসল করা যাবে কি? পুরুষ – মহিলা উলঙ্গ গোসলের ক্ষেত্রে ইসলাম কি বলে?

১. সহবাস- কোনো ব্যক্তি যদি রোজা রাখা অবস্থায় স্ত্রী সহবাসে লিপ্ত হয়। তাহলে তার বীর্যপাত হোক আর নাই হোক; তার রোজা ভঙ্গ হয়ে যাবে।
এই অবস্থায় রোজা ভঙ্গের ফলে ৫টি জিনিস সংঘটিত হয়-
ক. কবীরা গুনাহ; আর এর ফলে তাকে তাওবা করতে হবে;
খ. রোযা বাতিল হয়ে যাবে;
গ. তাকে ঐ দিনের অবশিষ্ট অংশ পানাহার ইত্যাদি থেকে বিরত থাকতে হবে;
ঘ. ঐ দিনের রোজা (রমজানের পরে) ক্বাযা করতে হবে;
ঙ. বৃহৎ কাফ্ফারা আদায় করতে হবে। আর কাফ্ফারা হলো একাধারে দুই মাস রোজা রাখা অথবা একজন গোলাম আজাদ করা কিংবা ৬০ জন মিসকিনকে একবেলা খাবার খাওয়ানো।

উলঙ্গ হয়ে বাথরুম এ গোসল করা যাবে কি? পুরুষ – মহিলা উলঙ্গ গোসলের ক্ষেত্রে ইসলাম কি বলে?
২. সঙ্গম ব্যতিত অন্য পন্থায় বীর্যপাত- সহবাস ব্যতিত অন্যপন্থায় যদি কোনো রোজাদার যৌনস্বাদ নেয়ার জন্য স্পর্শকাতর কোনো যুবতী যৌবনা নারী সংস্পর্শে আসে; তাকে চুম্বন করে; জড়িয়ে ধরে অথবা হস্তমৈথুন করে ইত্যাদির মাধ্যমে বীর্যপাত ঘটায় তবে তার রোজা ভেঙে যাবে। (সবার জানা উচিত যে, এই কর্মগুলি যেমনিভাবে রোজার মাসে হারাম তেমনিভাবে অন্য সময়গুলোতেও হারাম।)
বিবাহিত নারীরা বিরক্ত হন যে ৮ টি কথা শুনে
৩. পানাহার বা নাক দিয়ে খাদ্য গ্রহণ- সেটা উপকারি হোক বা অপকারি হোক; হালাল হোক বা হারাম হোক; অল্প হোক বা বেশি হোক রোজা ভেঙে যাবে।
আল্লাহ তা-আলা বলেছেন- ওয়া কুলু ওয়াশরাবু হাত্তা ইয়াতাবাইয়্যানা লাকুমুল খাইত্বুল আব্ইয়াজু মিনাল খাইত্বিল আসওয়াদি মিনাল ফাযরি। (সুরা বাকারা : আয়াত ১৮৭)
অর্থাৎ- আর পানাহার করা যতক্ষণ না কালো রেখা থেকে ভোরের শুভ্র রেখা পরিস্কারভাবে দেখা যায়। (সুরা বাকারা : আয়াত ১৮৭)

উলঙ্গ হয়ে বাথরুম এ গোসল করা যাবে কি? পুরুষ – মহিলা উলঙ্গ গোসলের ক্ষেত্রে ইসলাম কি বলে?
৪. পানাহারের বিকল্প- রোজাদার যদি পানাহারের বিকল্প উপায়ে খাবার গ্রহণ করে- রক্ত গ্রহণ; শক্তিবর্ধক স্যালাইন গ্রহণ; এমন ইঞ্জেকশন যা আহারের কাজ করে অর্থাৎ গ্লুকোজ ইনজেকশন ইত্যাদি।
৫. ইচ্ছাকৃত বমি- রাসুল (সা.) বলেন- যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে বমি করে সে যেন পরবর্তীতে রোজা ক্বাযা করে নেয়। (মুসলিম)
৬. হায়েজ-নেফাস- মহিলাদের হায়েজ (ঋতু) ও নেফাস (প্রসবজনিত রক্তক্ষরণ) হওয়া, এমনকি যদি ইফতারের কিছু সময় পূর্বেও হয় তাহলে রোজা ভেঙে যাবে।
আরো দেখুন –উলঙ্গ হয়ে বাথরুম এ গোসল করা যাবে কি? পুরুষ – মহিলা উলঙ্গ গোসলের ক্ষেত্রে ইসলাম কি বলে?

god sex truth

About admin

Check Also

মেয়েরা প্রেমে ধাক্কা খেলে যা করে !!

প্রথম প্রেম তো প্রথমই, জীবনের সবচেয়ে সুন্দর অভিজ্ঞতা। তার সঙ্গে কি কোনও কিছুর তুলনা চলে? ...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *